তৌফিক ভাইয়ের উন্নয়নের খন্ডচিত্র
মীর্জা সজীব | ৮:২৩ অপরাহ্ন, ২৯ নভেম্বর, ২০১৮

মীর্জা সজীব: বর্তমানে হাওরবাসীর (অষ্টগ্রামা-ইটনা-মিটামইন) জীবনে শতভাগ পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। হাওরবাসী পেয়েছে আধুনিক জীবন যাত্রার ছোঁয়া। তাদের জীবনে এসেছে স্বাচ্ছন্দ ও সাবলীলতা। বিগত কয়েক বছরে হাওরের কিছু দৃশ্যমান উন্নয়ন নিম্মে তুলে ধরা হলো: # অল ওয়েদার বা আভুরা সড়ক (মিটামইন-টু-ঢাকা), সাব-মার্সিবল সড়ক (অষ্টগ্রাম-টু-বাজিতপুুর সড়ক) সহ এই তিনটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ডের সবগুলো গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পাকাকরণ করা হয়েছে। # ব্যাপকহারে ব্রিজ, কালভার্ট ও ড্রেন স্থাপন (যেমন-মহামান্য রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সেতুসহ উল্লেখযোগ্য বেশ কয়েকটি নিমার্ণ)। # শিক্ষা ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন (প্রতিটি উপজেলায় মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ সরকারিকরণ)। # ভাটিতে প্রতিটি বিচ্ছিন্ন জনপদে (গ্রাম থেকে গ্রামে)শতভাগ বিদ্যুতায়ন। # বর্ষায় ঝুঁকিতে থাকা গ্রামগুলোতে বেড়িবাঁধ নিমার্ণ। # চিকিৎসা ক্ষেত্রে হাসপাতালগুলো আধুনিকরণ,শয্যা বর্ধিতকরণ ও নৌ এ্যাম্বুলেন্স সংযোজন। # প্রতিটি ধর্মীয় উপসনালয়ে ব্যাপক অনুদান, উন্নতি ও আধুনিক ভবন স্থাপন। যেমন-মসজিদ নির্মাণ,মন্দির ও গোরস্থান ইত্যাদি। # উপজেলা প্রশাসন কার্যালযের আধুনিক ভবন ও অডিটোরিয়াম নির্মাণ। # আগাম বন্যায় ও প্রাকৃতিক দূযোর্গে ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিক ও বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান। # দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন উৎসবে ব্যাপকহারে অনুদান। # হাওরের বুকে বয়ে যাওয়া নদীগুলো খনন করে প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা। # কৃষি উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন। # হাওরের উন্নয়নকে কেন্দ্র করে দেশের জাতীয় পর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ। যা বাস্তবায়ন হলে সুযোগ হবে ব্যাপক কর্মসংস্থানের। উল্লেখিত উন্নয়ন কাজ ছাড়াও হাওরে চলছে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড। আর এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে ভাটির-মাটির, কাদা জলে মাখামাখি করে বেড়ে ওঠা একজন খাঁটি মানুষ, ভাটি ঊন্নয়নের রূপকার, হাওর পিতা ও বর্তমান বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মহোদয়ের কারণে। উনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে (অষ্টগ্রাম-ইটনা-মিটামন) এর দুইবারের সাংসদ, সহজ-সরল মানুষের প্রতিচ্ছবি রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক আগামী ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় র্নিবাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী। তৌফিক ভাইয়ের রয়েছে অনন্য কতগুলো আর্দশিক গুণ। যেমন তিনি অধিকাংশ সময় এলাকায় অবস্থান করেন। গ্রাম্য/গোষ্ঠীগত বিভিন্ন ঝগড়া-বিবাদ তিনি শক্তহাতে স্থানীয়ভাবে বসে সমাধান করে দেন। এতে এলাকায় শান্তি বিরাজ করে। এ ছাড়া দলীয় প্রত্যেক নেতা-কর্মীর সাথে রয়েছে উনার সুসর্ম্পক। জাতীয় দিবস, আঞ্চলিক বিভিন্ন উৎসবে এলাকায় অবস্থান করে ভাটির গণমানুষের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করেন তিনি। আমরা সবাই হাওরের লোক নৌকা মার্কায় দেব ভোট জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। লেখক: কর্মী, অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রলীগ, কিশোরগঞ্জ।


2 Comments